৮ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা থেকে রংপুরের অভিমুখে লংমার্চ শুরু হয়েছে। লংমার্চ শুরুর আগে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, এলডিপির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, আমার বাংলাদেশ পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং ডাকসু ভিপি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েমসহ অনেকে।

সমাবেশ শেষে ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে হাজারো মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে রংপুরের উদ্দেশে লংমার্চে যাত্রা শুরু করেন।

৮ দফা দাবিগুলো হলো— গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
